বাতিল




বউভাতের ওই ভিড়েও মানুষটাকে অদিতি জন্য নিজের নির্দিষ্ট বউয়ের চেয়ারে বসেই চোখ দিয়ে খুঁজে যাচ্ছিলো, কিন্তু না, সে আর দেখতে পায়নি মানুষটাকে সেদিন । সে নিজেও জানে না কক্ষন কীভাবে নিজের অজান্তেই, তাঁর যে ওই সুন্দরী বয়স্ক মানুষটার জন্য মনে অনেকটা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে বেশ খানিকটা ভালোবাসাও জন্মে গেছিলো । আসলে বউভাতের দিল সকালে যখন তাঁকে প্রায় ঘিরে ধরেই তাঁর পরে আসা গয়না, সঙ্গে নিয়ে আসা যৌতূকের আলোচনার মাধ্যমে বাড়ীর বাকী দুই বউ, মহিলা আত্মীয় স্বজন আর তাঁর একমাত্র ননদ নিজেদের পিতৃকুল কে বড় করে তাঁকে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিল যে, সে তাদের বাড়ীর বউ হবার যোগ্য নয় ! আর অদিতি আশ্চর্য ভাবেই দেখেছিল যে তাঁর শাশুড়ি নীরবে সবটা দেখে যাচ্ছে, প্রতিবাদ তো ছিলই না , হয়তো বা তাঁর নীরব সমর্থনই ছিল ব্যাপারটাতে ।
স্কুল , কলেজের র্যাগিং সে সহজেই সামলে নিয়েছিল, ছোট থেকে মা বাবা হারা যে মেয়ে মামাবাড়ীতে বড় হয়, সে যে তুলোতে মোড়া জীবন পাবার সৌভাগ্য রাখে না, সেটা সে জানে। তাই তাঁর লড়াইটা শুরু হয়েছিল একদম ছোট বেলা থেকেই , আর তাঁর লড়াইয়ের মাধ্যম ছিল বই খাতা পেন । আর লড়াইয়ের সুফল হিসাবে প্রথমে মাধ্যমিকে , তারপরে উচ্চ মাধ্যমিকে সে স্ট্যান্ড করেছিল । জয়েন্টে প্রথমবারেই সরকারী কলেজে ইঞ্জিয়ারিং এর সুযোগ পেয়েছিল, আর আজকের দিনে তো সে রাহুলের চেয়ে বেশী মাইনেরই চাকরী করে । যে মেয়ে ছোট থেকে বাসি খাবার আর মুখ ঝামটা খেয়ে বড় হয়, প্রকৃতি তাঁকে লড়ার জন্য একটু বেশী বড় হৃদয় দিয়েই পাঠান । তাই বেশ কিছুক্ষণ এই রঙ তামাশা দেখার পরে অদিতি তাঁর একমাত্র আদরের ননদের দিকে তাকিয়ে নিরীহ মুখেই প্রশ্নটা করেছিল '' বাহ, গয়নার দামের ব্যাপারে তোমার এত নলেজ দেখে আমি ইম্প্রেসেড, নিশ্চয় তুমি অঙ্কে খুব ভালো, তাই না ? তোমার কত যেন নম্বর ছিল মাস্টার্সে ? '' তাঁর এই প্রশ্ন করা মাত্রই, তাঁর সুন্দরী ননদের ফর্সা মুখ ছাই রঙা হয়ে গেছিলো, আর যে ঘরে এক মুহূর্ত আগে অব্দি হাসি ঠাট্টা তামাশা চলছিল, সারা ঘরে যেন নিস্তব্ধতা নেমে এসেছিল মুহূর্তেই।


অদিতি জানতো যে তাঁর সুন্দরী, মা বাবার আদুরী ছোট ননদ দুবারেও আর্টস নিয়ে ক্লাস টুয়েলভ পাস করতে পারে নি, শেষে রাহুলের জ্যাঠামশাই বাইরের কোন রাজ্য থেকে সার্টিফিকেট এনে, তাদের পালটী ঘরে মেয়েটার বিয়ে দিয়ে দেন । ওই স্তব্ধ ঘরে অদিতি কফিনের শেষ পেরেকটা গেথে বলেছিল '' আমার শরীরের গয়না শুধুই নয়, শাড়িটা থেকে পায়ের চটিটা অব্দি আমার নিজের রোজকারে কেনা, আর এটা নিয়ে অন্তত আমি গর্বিত, প্রচণ্ড গর্বিত '' । তাঁর কথাটা শেষ হতে না হতেই ওই ভিড়ের মাঝখান থেকে মানুষটা হাততালি দিতে দিতে উঠে এসেছিলেন, আর চোখে জল নিয়েই অদিতি দেখেছিলো সম্পূর্ণ সাদা শাড়ি, সাদা ব্লাউস পরা, পাকা পেয়ারা রঙের এক অতীব সুন্দরী মহিলা উঠে দাঁড়িয়ে তাঁর দিকে এগিয়ে এসেছিল । আর ঘর ভর্তি সব আত্মীয় স্বজনদের দিকে তাকিয়ে কিছুটা ব্যাঙ্গ মিশ্রিত স্বরে বলেছিল '' যাক, শেষ অব্দি তাহলে এই মুখুজ্য বাড়ীতে একটা মানুষ এলো তবে ! বাকী সব তো শাড়ি, গয়নায় মোড়া পুতুলের সারি ! '' তারপরে দৃপ্ত ভঙ্গীতে এগিয়ে এসে তাঁর মাথায় হাত রেখে বলেছিল '' এরকমই থেকো, কোনদিনও যেন কেউ অবহেলার পাত্র করতে না পারে তোমায়। মাথা উচু করে, শিরদাঁড়া সোজা রেখে বেঁচো মা '' বলে নিজের গলা থেকে একটা দামী হার খুলে পরিয়ে দিয়ে, একবারও পেছন ফিরে না তাকিয়ে মানুষটা বেড়িয়ে গেছিলেন।
বউভাতের সাজ থেকে ভোজ অব্দি বাড়ীর সবার মুখের কাঠিন্য নজর এড়ায়নি অদিতির, দু একবার বাড়ীর মানুষদের ব্যাবহারে সে খোলস থেকে বেড়িয়ে আসতে চেয়েও শুধু মাত্র রাহুলের অসহায় দৃষ্টি দেখে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল। তবে '' রাঙামা '' কে আর দেখতে পায়নি সেদিন সে, রাহুলই তাঁকে এই নামটা বলেছিল ফুলশয্যার রাতে । এটাও বলেছিল যে তাদের পরিবারের সবচেয়ে গুণী কিন্তু বিতর্কিত মানুষ হলেন ওই রাঙামা । তিনি রাহুলের জেঠিমা, যে দুই সুন্দরী বউদি সকালে তাঁর ননদের সঙ্গে মিলে তাঁকে ঘিরেছিল, ইনি তাদেরই শাশুড়ি । রাহুল এটাও বলেছিল যে তাঁর দুই দাদাই পারিবারিক ব্যাবসা থেকে প্রচুর রোজকার করেন, দুই বউদি কিছুটা মুখরা হলেও রাঙামার কোন অযত্ন কোনদিনও করেনি, তবুও জেঠু মারা যাবার চার পাঁচ বছরের মাথায় একদিন আচমকা রাঙা মা, সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছেয় বৃদ্ধাশ্রমে চলে গেছেন । এই বাড়ীতে এসেছিলেন শুধু মাত্র তাঁর বিয়ের জন্যই, তাও দুপুরে অদিতি কে আশীর্বাদ করে চলে গেছেন। আর রাহুল শেষে একটা অদ্ভুত কথা বলেছিল, যাবার আগে নাকি রাঙা মা রাহুল কে ডেকে বলেছিলেন '' মেয়েটা বড় দুঃখী, নিজের ইচ্ছেয় হাত ধরে এই বাড়ীতে এনেছিস যখন, ওকে কিন্তু বাতিলের দলে ফেলিস না '' কথাটার মানে জানতে চেয়েছিল অদিতি, কিন্তু তাদের ফুলশয্যার সেই রাতে রাহুলের অগ্রাসি ঠোঁট তাঁর সমস্ত প্রশ্ন কে শুষে নিয়েছিল !


আর তারপরে তো তাদের স্বপ্নের দিন শুরু হয়েছিল , হনিমুনে সিমলার ওই বরফে ভেজা নির্জন কটেজে একে অপরের কাছে উষ্ণ সমর্পণে, আগামীর শপথের মাঝেও কিন্তু কেন জানি না অদিতির মনে বারবার ওই একটা অসাধারণ সুন্দরী বয়স্ক মানুষের দৃপ্ত মুখের ছবিটা ভেসে ভেসে আসছিল। এক শীতল রাতে , রাহুলের বাহুডোরে আবদ্ধ অদিতি যেন নিজেকেই প্রমিস করেছিল ফিরে যেয়েই মানুষটার কাছে যাবে। দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তাঁর, ওই দুটো অর্বাচীন বউদির ব্যাবহারেই হয়তো মানুষটা শেষ জীবনে স্বেচ্ছানির্বাসন বেছে নিয়েছে। এমনিতেও সে আর রাহুল পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কদিনের মধ্যই মুম্বাই শিফট হয়ে যাবে, আর অদিতির আন্তরিক ইচ্ছে রাঙামা কে তাদের সঙ্গে নিয়ে যাবার। আজন্ম মা বাবার স্নেহ বঞ্চিত মেয়েটার সেই বয়েসে এসে লোভ হয়েছিল, লোভ হয়েছিল একটা ভালবাসার মানুষের ছায়ায় জীবনটা কাটিয়ে দেবার। তাই কোলকাতা ফেরার দিনের বিকেলেই সে পৌঁছে গেছিলো শহরতলীতে রাঙামার বর্তমান ঠিকানায় । রাহুল আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে সে আসছে, তাই হয়তো রাঙামা নিজেই গেটে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর জন্য, আর জীবনে দ্বিতীয়বার দেখা মানুষটাকে না জানি কোন আবেগ থেকে জড়িয়ে ধরেছিল আঁকড়ে আদিতি, গাড়ী থেকে নেমেই।
বরাবরের বাস্তববাদী মেয়েটা হয়তো নিজের আবাগেই চমকে গেছিলো , সেই চমক ভেঙ্গেছিল তাঁর মাথায় রাঙামার নরম হাতের স্পর্শে, সেই একই উষ্ণ ভঙ্গীতে মানুষটা বলেছিল '' আয়, ভেতরে আয়। দেখে যা তোর রাঙা মা কেমন রানীর মত থাকে ''। রাঙামার জন্য নির্দিষ্ট করা ঘরে যাবার পথে অদিতি দেখেছিল বাকী আবাসিকরা রাঙামা কে দেখে কি পরিমাণ আশ্বস্ত হচ্ছেন, আনন্দিত হচ্ছেন । অদিতির মনে হয়েছিল যে সমস্ত আবাসিকরা যেন তাঁদের একমাত্র অবলম্বন কে দেখছে । কিন্তু মানুষটার কোন হেলদোল ছিল না, রুমে ঢুকে মানুষটা অদিতিকে বসতে বলার আগেই প্রশ্নটা করেছিল '' আমায় বুঝি নিয়ে যেতে এসেছিস মেয়ে ? ভেবেছিস এই বুড়িটাকে ওর ছেলে বউরা মিলে তেড়ে দিয়েছে ঘর থেকে ? '' কথার মাঝখানেই একজন আবাসিক এসে ঢোকেন ঘরে আর প্রশ্ন করেন '' অপর্ণা দি চা জলখাবার কি এখানে আনবো না ডাইনিং হলে যাবেন ? ''
উত্তরে মুখে একটা স্মিত হাসি রেখে রাঙামা উত্তর দিলেন '' না, এখানেই দিয়ে যা বরং। সারাদিন তো তোদের সঙ্গেই থাকি, আজ আমার ক্ষেপী মা এসেছে, আজকে বরং আমরা মা মেয়ে মিলে খায় । রাতে তো তোদের সাথেই খাব , পালা এখন জ্বালাস না ''। কিছুক্ষণের মধ্যই চা আর গরম ভেজিটেবিল চপ এসে হাজীর হয়েছিল। চায়ে চুমুক দিয়ে প্রথম কথাটা রাঙামা বলেছিলেন '' তোদের রাঙামার নাম যে অপর্ণা সেটা জানতিস ? " তাঁর উত্তরের অপেক্ষায় না থেকেই তিনি বলতে শুরু করেছিলেন '' সেই যে বিয়ে হয়ে এলাম, বাবার দেওয়া নামটাও হারিয়ে গেল রে । গায়ের ফর্সা রঙের জন্য নাম হয়ে গেল রাঙা বউ আর সেই থেকে তোদের রাঙা মা। আমার স্বামী, মানে তোর রাহুলের জেঠূ পরিবারের গোটা ব্যাবসাটা দেখতেন সেই বয়েসই। তোর শ্বশুর তো তখন বাচ্চা ছেলে প্রায়, তো ব্যাবসা দেখার সুবাদে আমার স্বামী যেদিন ইচ্ছে হত বাড়ি ফিরতেন, যেদিন ইচ্ছে হত না বউবাজার বা শোভাবাজারে কোন অস্থায়ী স্ত্রীর বাড়ীতে রাত কাটাতেন। সদ্য বিবাহিতা একটা কিশোরী মেয়ে, তাঁর জীবনের প্রথম এবং একমাত্র পুরুষের জন্য রাতের পর রাত অপেক্ষা করতেন, আর অপেক্ষা করতে করতেই সেই কিশোরীটা আস্তে আস্তে পড়াশোনার দিকে ঝুঁকে গেছিলো । সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় মেয়েটা পড়তে লিখতে শিখেছিল, হয়তো তাঁর ব্যস্ত, সুপুরুষ স্বামীর অবহেলা থেকে বাঁচার জন্যই মেয়েটা পড়াশোনার আশ্রয় নিয়েছিল। তারপরে সময় পেরিয়ে যায়, ওই কিশোরীর গর্ভে দু দুটো রাজপুত্রের মত সন্তান আসে, তাঁর স্বামীও তখন ঘরের দকে কিছুটা মন দিয়েছেন। সমস্ত অভিমান ভুলে কিশোরীটা ঝাঁপিয়ে পরেছিল ওই দুটো রক্তের ডেলা কে মানুষ করার জন্য, কিন্তু বিধাতার ইচ্ছে যে অন্য ! নইলে অল্প লায়েক হয়েই ওই দুটো রক্তের ডেলা, তাঁদের মা কে অবহেলা করতে শুরু করে ? আবারও বাতিলের দলে ফেলে ? । দিন পেরিয়ে যায়, ওই কিশোরীর স্বামী থাকতে থাক্তেই দুটো রাজপুত্রদের বিয়ে হয়, সুন্দরী রাজকন্যদের সঙ্গে। কিন্তু ওই যে হতভাগী কিশোরী, তাঁর কপাল আর পাল্টায় না রে ! সবটা ছিল, সব সময়, কিন্তু ওই মানুষটার জন্য কারুর কোনদিন সময় ছিল না রে ।


না তাঁর রাজপুত্রদের, না তাঁদের আনা রাজকন্যদের। আর একদিন ওই কিশোরীর জীবনের একমাত্র পুরুষটা চলে গেছিলো ওই আকাশের কোনে, কষ্ট পেয়েছিল কিশোরীটা, কিন্তু ভেবেছিল এবার হয়তো কিছুটা গুরুত্ব পাবে সে নিজের পরিবারের কাছে । দিনের পর দিন তাঁর রাজপুত্রদের মনোমত খাবার বানিয়ে রাখতো সে, কিন্তু খেয়ে ভালো মন্দ বলার সময় ছিল না হয়তো তাঁদের। ওই রাজপুত্রদের স্ত্রীদের জন্য নিজের সবটা বিলিয়ে দিয়েছিল সে, কিন্তু সামান্য সৌজন্য সাক্ষাৎ ছাড়া তাঁদেরও সময় ছিল না তাঁর জন্য। শেষে একদিন ওই কিশোরীটা ভাবলো, আজীবন তো সে বাতিলের দলেই, না হয় শেষ জীবনটা নিজের ইচ্ছে মত বাঁচুক সে । তাই একদিন সবাই কে ডেকে ওই কিশোরী সোজা পৌঁছে গেছিলো এখানে। আর বিশ্বাস করবি না মেয়ে, ওই কিশোরী শেষ বয়েসে এখানে এসে যেন নিজের গ্রামের সেই ফেলে আসা কিশোরী জীবনটা ফিরে পেয়েছিল । তাঁর হারিয়ে যাওয়া নাম, তাঁর রান্নার খ্যাতি, তাঁর উলবোনার সুখ্যাতি, তাঁর শিক্ষা, তাঁর আন্তরিকতা সবটা বড় বেশী দাম পেল রে এখানে এসে , জীবনে প্রথমবারের মতই '' ।
একটানা এত কথা একসঙ্গে বলে হয়তো রাঙামা কিছুটা হাপিয়ে গেছিলেন, তাই হাতের চায়ের কাপ গলায় ঢেলে , কিছুটা সময় নিয়ে বললেন '' জানিস, এখানে আমার এত দাম কেন ? '' যথারীতি উত্তরের অপেক্ষা না করে তিনি বলেন '' কারন এখানের সমস্ত আবাসিক মনে করেন আমিই দশভুজা, সবার বিপদে আপদে আমি আগলে দাঁড়ায়। '' । আদিতি বুঝতে পেরেছিল যে রাঙামা যাবেন না এত ভালোবাসা ফেলে , দু চোখ জল নিয়ে সে আবারও রাঙামার শরীরের গন্ধ, ওম শুষে নিতে নিতে শুনেছিল রাঙা মা কান্নাভেজা গলায় বলছেন '' আসলে বাতিল হওয়ার কষ্টটা তো আমি সেই কিশোরী বেলা থেকেই জানি, তাই হয়তো এদের মত সমস্ত বাতিল, সংসারের কাছে আবর্জনা কে বুকে আগলে রেখে ভালবাসতে পারি রে মেয়ে '' । খাওয়া দাওয়া, সবার সঙ্গে আলাপ পরিচয় এর পরে অদিতি যখন শেষ বিকেলে সেই বৃদ্ধাশ্রম ছেড়ে বেড়িয়ে আসছিল, একবার সে পেছন ফিরে তাকিয়েছিল আর তাঁর মনে হয়েছিল আজকের এই চাওয়া পাওয়ার পৃথিবীতে, লাভ ক্ষতি সবই যেন বাতিলের দলে। শুধু মাত্র এই কয়েকটা বৃদ্ধ বৃদ্ধা , যারা সংসারের চোখে বাতিল, আজ যেন তাঁরাই শুধু মাত্র জানেন প্রকৃত ভালোবাসার মানেটা ।

Thank you for reading, please share this topic.

Comments